supermom-logo
Go to Home

সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

  • গর্ভধারণ কত সপ্তাহ হয়েছে তা নিশ্চিত করা।
  • ডায়েট, সাপ্লিমেন্টস (যেমন আয়রন এবং ফোলিক অ্যাসিড), এবং ব্যায়ামের পরামর্শ।
  • গর্ভকালীন কোন কোন টেস্টগুলো করাতে হবে এবং কখন।

গর্ভাবস্থায় কাঁচা খাবার, অতিরিক্ত ক্যাফেইন এবং অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস মায়ের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি সময়। এই সময়ে হরমোনের পরিবর্তনের কারণে মানসিক অস্থিরতা, ক্লান্তি এবং বমি ভাব দেখা দিতে পারে। তাই পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া, সুষম খাবার গ্রহণ করা এবং নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত গু

  • মায়ের ও শিশুর শারীরিক অবস্থা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা যায়
  • যেকোনো জটিলতা আগেই শনাক্ত করা সম্ভব হয়
  • প্রয়োজনীয় টিকা ও ওষুধ সঠিক সময়ে দেওয়া যায়

হ্যাঁ, প্রয়োজন। এমনকি খুব ভালো ডায়েট থাকলেও শুধু খাবার থেকে প্রয়োজনীয় পরিমাণ (৪০০-৮০০ mcg) ফলিক অ্যাসিড পাওয়া বেশ কঠিন। তাই সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন ফলিক অ্যাসিড গ্রহণ করলে তা গর্ভাবস্থার একদম শুরুর দিকে আপনার শিশুকে 'নিউরাল

সবচেয়ে ভালো হয় গর্ভধারণের অন্তত ১-৩ মাস আগে থেকে এটি শুরু করলে এবং গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস নিয়মিত চালিয়ে গেলে। কারণ শিশুর স্নায়ুতন্ত্রের প্রাথমিক বিকাশ অনেক সময় মা গর্ভবতী হওয়ার বিষয়টি বোঝার আগেই সম্পন্ন হয়ে যায়।

চিন্তার কিছু নেই, পরের দিন থেকে আপনার নির্ধারিত ডোজটি নিয়মিত খাওয়া শুরু করুন। মনে পড়ার পর ঐ দিনই বাড়তি ডোজ খাওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এটিকে আপনার প্রতিদিনের অভ্যাসে পরিণত করার চেষ্টা করুন।

প্রধানত এটি হবু মায়েদের জন্য সুপারিশ করা হয়, তবে কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে পুরুষদের পর্যাপ্ত ফোলেট গ্রহণ শুক্রাণুর গুণমান উন্নত করতে সহায়ক হতে পারে। তাই দম্পতি হিসেবে উভয়েই পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা ভালো।

সাধারণত গর্ভধারণের আগে থেকে শুরু করে গর্ভাবস্থার প্রথম ১২ সপ্তাহ (প্রথম তিন মাস) পর্যন্ত এটি খাওয়া সবচেয়ে জরুরি। তবে অনেক চিকিৎসক পুরো গর্ভাবস্থায় এটি চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন, যা রক্তশূন্যতা প্রতিরোধে সাহায্য করে। আমরা বাংলায় ওয়েব ডেডলপমেন্ট নিয়ে কাজ